Muntakhab Hadith

 
 
SIFAT
Kalimah Tayyibah  
SECTION
Belief in the Hereafter  
Type
Hadith  
SERIAL NUMBER
153  
الحديث فى العربى
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ قال: قال رسول الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَ يَوْمُ القِيَامَةِ مَاجَ النَّاسُ بَعْضُهُمْ فِي بَعْضٍ، فَيَأْتُونَ آدَمَ، فَيَقُولُونَ: اشْفَعْ لَنَا إِلَى رَبِّكَ، فَيَقُولُ: لَسْتُ لَهَا، وَلَكِنْ عَلَيْكُمْ بِإِبْرَاهِيمَ فَإِنَّهُ خَلِيلُ الرَّحْمَنِ، فَيَأْتُونَ إِبْرَاهِيمَ، فَيَقُولُ: لَسْتُ لَهَا، وَلَكِنْ عَلَيْكُمْ بِمُوسَى فَإِنَّهُ كَلِيمُ اللَّهِ، فَيَأْتُونَ مُوسَى فَيَقُولُ: لَسْتُ لَهَا، وَلَكِنْ عَلَيْكُمْ بِعِيسَى فَإِنَّهُ رُوحُ اللَّهِ، وَكَلِمَتُهُ، فَيَأْتُونَ عِيسَى، فَيَقُولُ: لَسْتُ لَهَا، وَلَكِنْ عَلَيْكُمْ بِمُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَيَأْتُونِي، فَأَقُولُ: أَنَا لَهَا، فَأَسْتَأْذِنُ عَلَى رَبِّي، فَيُؤْذَنُ لِي، وَيُلْهِمُنِي مَحَامِدَ أَحْمَدُهُ بِهَا لاَ تَحْضُرُنِي الآنَ، فَأَحْمَدُهُ بِتِلْكَ المَحَامِدِ، وَأَخِرُّ لَهُ سَاجِدًا، فَيَقُولُ: يَا مُحَمَّدُ ارْفَعْ رَأْسَكَ، وَقُلْ يُسْمَعْ لَكَ، وَسَلْ تُعْطَ، وَاشْفَعْ تُشَفَّعْ، فَأَقُولُ: يَا رَبِّ، أُمَّتِي أُمَّتِي، فَيَقُولُ: انْطَلِقْ فَأَخْرِجْ مِنْهَا مَنْ كَانَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ شَعِيرَةٍ مِنْ إِيمَانٍ، فَأَنْطَلِقُ فَأَفْعَلُ، ثُمَّ أَعُودُ، فَأَحْمَدُهُ بِتِلْكَ المَحَامِدِ، ثُمَّ أَخِرُّ لَهُ سَاجِدًا، فَيُقَالُ: يَا مُحَمَّدُ ارْفَعْ رَأْسَكَ، وَقُلْ يُسْمَعْ لَكَ، وَسَلْ تُعْطَ، وَاشْفَعْ تُشَفَّعْ، فَأَقُولُ: يَا رَبِّ، أُمَّتِي أُمَّتِي، فَيَقُولُ: انْطَلِقْ فَأَخْرِجْ مِنْهَا مَنْ كَانَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ - أَوْ خَرْدَلَةٍ - مِنْ إِيمَانٍ فَأَخْرِجْهُ، فَأَنْطَلِقُ، فَأَفْعَلُ، ثُمَّ أَعُودُ فَأَحْمَدُهُ بِتِلْكَ المَحَامِدِ، ثُمَّ أَخِرُّ لَهُ سَاجِدًا، فَيَقُولُ: يَا مُحَمَّدُ ارْفَعْ رَأْسَكَ، وَقُلْ يُسْمَعْ لَكَ، وَسَلْ تُعْطَ، وَاشْفَعْ تُشَفَّعْ، فَأَقُولُ: يَا رَبِّ أُمَّتِي أُمَّتِي، فَيَقُولُ: انْطَلِقْ فَأَخْرِجْ مَنْ كَانَ فِي قَلْبِهِ أَدْنَى أَدْنَى أَدْنَى مِثْقَالِ حَبَّةِ خَرْدَلٍ مِنْ إِيمَانٍ، فَأَخْرِجْهُ مِنَ النَّارِ، فَأَنْطَلِقُ فَأَفْعَلُ " فَلَمَّا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِ أَنَسٍ قُلْتُ لِبَعْضِ أَصْحَابِنَا: لَوْ مَرَرْنَا بِالحَسَنِ وَهُوَ مُتَوَارٍ فِي مَنْزِلِ أَبِي خَلِيفَةَ فَحَدَّثْنَاهُ بِمَا حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، فَأَتَيْنَاهُ فَسَلَّمْنَا عَلَيْهِ، فَأَذِنَ لَنَا فَقُلْنَا لَهُ: يَا أَبَا سَعِيدٍ، جِئْنَاكَ مِنْ عِنْدِ أَخِيكَ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، فَلَمْ نَرَ مِثْلَ مَا حَدَّثَنَا فِي الشَّفَاعَةِ، فَقَالَ: هِيهْ فَحَدَّثْنَاهُ بِالحَدِيثِ، فَانْتَهَى إِلَى هَذَا المَوْضِعِ، فَقَالَ: هِيهْ، فَقُلْنَا لَمْ يَزِدْ لَنَا عَلَى هَذَا، فَقَالَ: لَقَدْ حَدَّثَنِي وَهُوَ جَمِيعٌ مُنْذُ عِشْرِينَ سَنَةً فَلاَ أَدْرِي أَنَسِيَ أَمْ كَرِهَ أَنْ تَتَّكِلُوا، قُلْنَا: يَا أَبَا سَعِيدٍ فَحَدِّثْنَا فَضَحِكَ، وَقَالَ: خُلِقَ الإِنْسَانُ عَجُولًا مَا ذَكَرْتُهُ إِلَّا وَأَنَا أُرِيدُ أَنْ أُحَدِّثَكُمْ حَدَّثَنِي كَمَا حَدَّثَكُمْ بِهِ، قَالَ: " ثُمَّ أَعُودُ الرَّابِعَةَ فَأَحْمَدُهُ بِتِلْكَ المَحَامِدِ، ثُمَّ أَخِرُّ لَهُ سَاجِدًا، فَيُقَالُ: يَا مُحَمَّدُ ارْفَعْ رَأْسَكَ، وَقُلْ يُسْمَعْ، وَسَلْ تُعْطَهْ، وَاشْفَعْ تُشَفَّعْ، فَأَقُولُ: يَا رَبِّ ائْذَنْ لِي فِيمَنْ قَالَ: لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، فَيَقُولُ: وَعِزَّتِي وَجَلاَلِي، وَكِبْرِيَائِي وَعَظَمَتِي لَأُخْرِجَنَّ مِنْهَا مَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ (رواه البخارى عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ،رَضِىَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : يَقُولُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ : قَدْ شَفَعَ الْمَلائِكَةُ وَالنَّبِيُّونَ وَالْمُؤْمِنُونَ وَبَقِيَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ ، ُفَيَقْبِضُ قَبْضَةً مِنَ النَّارِ أَوْ قَبْضَتَيْنِ ، فَيُخْرِجُ مِنْهَا خَلْقًا كَثِيرًا لَمْ يَعْمَلُوا خَيْرًا قَطُّ, قَدْ عَادُوْ حُمَمًا فَيُلْقِيْهِمْ فِىْ نَهْرِ فِىْ اَفْوَاهِ الْجَنَّةِ يُقَالُ لَهُ نَهْرُ الْحَيَاةِ فَيَخْرُجُوْنَ كَمَا تَخْرُجُ الْحِبَّة ِفِىْ حَمِيْلِ السَّبِيْلِ قَالَ فَيَخْرُجُوْنَ كَاَلُّلؤْلُؤِ فِيْ رِقَابِهِمُ الْخَوَاتِمِ يَعْرِفُهُمْ أَهْلُ الْجَنَّة. هَؤُلْاَءِ عُتَقَاءُ اللهِ الَّذِيْنَ أَدْخَلَهُمُ اللهُ الْجَنَّةَ بِغَيْرِ عَمَلٍ عَمِلُوْهُ وَلاَ خَيْرٍ قَدَّمُوْهُ. ثُمَّّ يَقُوْلُ: اًدْخُلُوْا الْجَنَّةَ، فَمَا رَأَيْتُمُوْهُ، فَهُوَ لَكُمْ. فَيَقُوْلُوْنَ: رَبَّنَا أَعْطَيْتَنَا مَا لَمْ تُعْطِ أَحَدًا مِنَ الْعَالَمِيْنَ. فَيَقُوْلُ: لَكُمْ عِنْدِي أَفْضَلُ مِنْ هَذَا. فَيَقُوْلُوْنَ: يَا رَبَّّنَا أَيُّ شَيْءٍ أَفْضَلُ مِنْ هَذَا؟. فَيَقُوْلُ: رِضَائِيْ فَلاَ أَسْخَطُ عَلَيْكُمْ بَعْدَهُ أَبَدًا (رواه مسلم  
হাদিস বাংলা
হযরত আনাস ইবনে মালেক (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করিয়াছেন, যখন কেয়ামতের দিন হইবে তখন (অস্থিরতার কারণে) লোকেরা একে অন্যের নিকট দৌড়াইতে থাকিবে । সুতরাং (হযরত) আদম (আঃ) এর নিকট যাইবে, আর তাহার নিকট আরজ করিবে, আপনি আপনার রবের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন । তিনি বলিবেন, আমি ইহার উপযুক্ত নহি । তোমরা ইবরাহীম (আঃ) এর নিকট যাও । তিনি আল্লাহ তায়ালার খলীল । লোকেরা তাঁহার নিকট যাইবে । তিনি বলিবেন, আমি ইহার উপযুক্ত নহি । তবে তোমরা মূসা (আঃ) এর নিকট যাও । তিনি কালীমুল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালার সহিত কথা বলিতেন । ইহারা তাহার নিকট যাইবে । তিনিও বলিবেন, আমি ইহার উপযুক্ত নহি । তোমরা ঈসা (আঃ) এর নিকট যাও । তিনি রুহুল্লাহ এবং কালেমাতুল্লাহ । ইহারা তাহার নিকট যাইবে । ইহারা তাহার নিকট যাইবে । তিনিও বলিবেন, আমি ইহার উপযুক্ত নহি, তবে তোমরা হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আরাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট যাও । সুতরাং তাহারা আমার নিকট আসিবে । আমি বলিব, আমি সুপারিশের অধিকার রাখি । অতঃপর আমি আমার রবের নিকট অনুমতি চাহিব । আমাকে অনুমতি দেওয়া হইবে । আল্লাহ তায়ালা আমার অন্তরে তাহার প্রশংসাসূচক এমন বাক্যসমূহ ঢালিবেন যাহা এখন আমি করিতে পারি না । আমি ঐ সকল বাক্যসহকারে আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা করিব এবং সিজদায় পড়িয়া যাইব । এরশাদ হইবে, হে মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, মাথা উঠাও । বল, তোমার কথা মানিয়া লওয়া হইবে । প্রার্থনা কর দান করা হইবে । সুপারিশ কর, কবুল করা হইবে । আমি আরজ করিব, ইয়া রব! আমার উম্মত । আমার উম্মত । অর্থাৎ আমার উম্মতকে ক্ষমা করিয়া দিন । আমাকে বলা হইবে, যাও, যাহার অন্তরে যবের দানা পরিমাণও ঈমান থাকিবে তাহাকেও জাহান্নাম হইতে বাহির কর । আমি যাইব এবং হুকুম পালন করিব । ফিরিয়া আসিয়া আবার ঐ সকল বাক্য সহকারে আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা করিব এবং সেজদায় পড়িয়া যাইব । এরশাদ হইবে, হে মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! মাথা উঠাও, বল তোমার কথা মানা হইবে, চাও পাইবে, সুপারিশ কর, কবুল করা হইবে । আমি আরজ করিব, ইয়া রব! আমার উম্মত! আমার উম্মত! (আমাকে) বলা হইবে যাও, যাহার অন্তরে এক বালুকণা অথবা একটি সরিষা দানা পরিমাণও ঈমান থাকিবে তাহাকেও বাহির কর । আমি যাইব এবং হুকুম পালন করিব । ফিরিয়া আসিয়া আবার ঐ সকল বাক্যসহকারে আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা করিব এবং সিজদায় পড়িয়া যাইব । এরশাদ হইবে, হে মোহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, মাথা উঠাও, বল,তোমার কথা মানা হইবে, চাও পাইবে, সুপারিশ কর কবুল করা হইবে । আমি আরজ করিব, ইয়া রব! আমার উম্মত! আমার উম্মত! (আমাকে) বলা হইবে, যাও, যাহার অন্তরে একটি সরিষার দানার চেয়ে ও অতি কম ঈমান থাকিবে তাহাকেও বাহির কর । আমি যাইব এবং হুকুম পালন করিব । চতুর্থবার পুনরায় ফিরিয়া আসিব এবং আবার ঐ সকল বাক্য সহকারে আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা করিব এবং সিজদায় পড়িয়া যাইব । এরশাদ হইবে, হে মোহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আরাইহি ওয়াসাল্লাম, মাথা উঠাও, বল, তোমার কথা মানা হইবে, চাও পাইবে, সুপারিশ কর কবুল করা হইবে । আমি আরজ করিব, হে আমার রব, আমাকে ঐ সমস্ত ব্যক্তিদেরও বাহির করিয়া আনিবার অনুমতি দিন যাহারা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়িয়াছে । আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করিবেন, আমার ইজ্জতের কসম! আমার উচ্চ মর্যাদার কসম! আমার বড়ত্বের কসম! আমার সম্মানের কসম! যাহারা এই কালেমা পড়িয়া নিয়াছে, তাহাদেরকে তো আমি অবশ্যই জাহান্নাম হইতে (নিজেই) বাহির করিয়া লইব । (বোখারী) হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত হাদীসে এইরূপ আছে যে, (চতুর্থবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জওয়াবে) আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করিবেন যে, ফেরেশতারাও সুপারিশ করিয়া শেষ করিয়াছে, নবীগণও সুপারিশ করিয়া শেষ করিয়াছে, এখন আরহামুর রাহেমীন ছাড়া আর কেহ বাকীনাই । সুতরাং আল্লাহ তায়ালা মুঠ ভরিয়া এমন সমস্ত লোকদেরকে দোযখ হইতে বাহির করিবেন যাহারা পূর্বে কখনও কোন নেকীর কাজ করে নাই,তাহারা দোযখে (জ্বলিয়া) কয়লা হইয়া গিয়াছে । জান্নাতের দরজাসমূহের সামনে একটি নহর রহিয়াছে যাহাকে নহরে হায়াত বলা হয় । আল্লাহ তায়ালা উহার মধ্যে ঐ সকল লোকদেরকে ফেলিয়া দিবেন । তাহারা উহার মধ্য হইতে (সঙ্গে সঙ্গে তরতাজা হইয়া ) বাহির হইয়া আসিবে । যেমন শস্য বীজ ঢলের পানির খড়কুটার মধ্যে (পানি এবং সারের কারণে দ্রুত) অংকুরিত হয় । আর এই সকল লোক মুক্তার ন্যায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও উজ্জল হইয়া যাইবে । তাহাদের ঘাড়ে সোনালী মোহর লাগানো থাকিবে । যাহাতে জান্নাতেী লোকেরা তাহাদিগকে চিনিতে পারিবে যে, ইহারা (জাহান্নামের আগুন হইতে) আল্লাহ তায়ালা আযাদকৃত যাহাদিগকে আল্লাহ তায়ালা কোন নেক আমল ছাড়া জান্নাতে দাখেল করিয়া দিয়াছেন । অতঃপর আল্লাহ তায়ালা (তাহাদিগকে) বলিবেন, জান্নাতে দাখেল হইয়া যাও । তোমরা (জান্নাতে) যাগহা কিছু দেখিয়াছ উহা সব তোমাদের জন্য । তাহারা বলিবে হে আমাদের রব! আপনি আমাদেরকে ঐ সকল বস্তু দান করিয়াছেন যাহা দুনিয়াতে কাহাকেও দান করেন নাই । আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করিবেন, আমার নিকট তোমাদের জন্য ইহা হইতে উত্তম নেয়ামত রহিয়াছে । তাহারা আরজ করিবে, হে আমাদের রব! ইহা হইতে উত্তম নেয়ামত কি হইবে? আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করিবেন, আমার সন্তুষ্টি । ইহার পর আমি তোমাদের প্রতি আর কখনও অসন্তুষ্ট হইব না । (মুসলিম) ফায়দাঃ হাদীস শরীফের মধ্যে হযরত ঈসা (আঃ) কে রুহুল্লাহ ও কালেমাতুল্লাহ এইজন্য বলা হইয়াছে যে, তাহার জন্ম বাপ ছাড়া শুধু আল্লাহ তায়ালার হুকুম …………..কুন বাক্য দ্বারা এইরূপ হইয়াছে যে, জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালার হুকুমে তাহার মায়ের বুকে ফুঁক তিলেন । ফলে উহা একটি রুহু ও প্রাণ বিশিষ্ট বস্তুতে পরিণত হইয়া গেল । (তাফসীরে ইবনে কাসীর)   
HADITH ENGLISH
Anas ibn Malik Radiyallahu 'anhu narrates that Rasulullah Sallallahu 'alaihi wasallam said: On the Day of Resurrection, mankind will be in confusion. Then they will approach Adam 'Alaihis Salam and say: Intercede for us before your Rabb. He will reply: I am not eligible to intercede, you should approach Ibrahim, as he is the Khalil (close friend) of Ar-Rahman. So, they will approach Ibrahim 'Alaihis Salam, but he will say to them: I am not eligible, you should approach Musa, as he is Kalimullah (who speaks to Allah Ta'ala). So, they will approach Musa 'Alaihis Salam, but he will say: I am not eligible, you should approach 'Isa, as he is Ruhullah and Kalimatullah (the Spirit of Allah, and Word of Allah). So, they will approach 'Isa 'Alaihis Salam; but he will say: I am' not eligible, you should approach Muhammad Sallallahu 'alaihi wasallam. Thus, they will approach me and I will say, I am the one to intercede. So I will beseech my Rabb; and He will oblige me. Then He will inspire me with such words that I will praise Him with, but I have no knowledge of these words now. So I will praise Him by those praises and will fall in prostration. Then it will be said: O Muhammad! Raise your head; speak, you will be heard; ask, you will be granted; intercede, your intercession will be accepted. So, I will submit: O my Rabb! My Ummah! My Ummah! (Have mercy on it). It will then be said: Go and take out of the Fire whoever has, in his heart, Iman equivalent to a grain of barley. So, I will go and obey as commanded.@ +@Then I will return and praise Him again by the same praises and will fall in prostration. Then it will be said: O Muhammad! Raise your head; speak, you will be heard; ask, you will be granted; intercede, your intercession will be accepted. So I will beseech: O My Rabb! My Ummah! My Ummah! Then it will be said: Go and take out from the Fire whoever has, in his heart, Iman equivalent to a particle of dust or a mustard seed. So, I will go and comply with the command.@ +@Then I will return and, praise Him once more by the same praises and will fall in prostration. Then it will be said: O Muhammad! Raise your head; speak, you will be heard; ask, you will be granted; intercede, your intercession will be accepted. So I will implore: O My Rabb! My Ummah! My Ummah! Then it will be said: Go and take out from the Fire whoever has Iman, in his heart, as much as the smallest, smallest, smallest grain of mustard seed. So I will go and do as bidden.@ +@And then, I will return for the fourth time and praise Him by the same praises and will fall in prostration. Then it will be said: O Muhammad! Raise your head; speak, you will be heard; ask, you will be granted; intercede, your intercession will be accepted. So I will urge: O My Rabb! Permit me (to intercede) for anyone who has said La ilaha illallah. Thus, Allah Subhanahu wa Ta'ala will say: By My Honour, and By My Majesty, and By My Grandeur, and By My Sublimity; whoever has said La ilaha illallah, I will certainly take him out of the Fire. (Bukhari)@ +@And in the narration of Abu Sa'id Al Khudri Radiyallahu 'anhu: (In reply to the urges of Rasulullah Sallallahu 'alaihi wasallam for the fourth time) Allah Subhanahu wa Ta'ala will say: The Angels have interceded, and the Prophets have interceded, and the believers have interceded, and none remain except the Most Merciful of the Merciful. He will then grasp a handful from the Fire, taking out those who had not done a single virtuous act, and who had been turned to charcoal. He will then put them into a river of life at the entrance of Paradise, called Nahar-ul-Hayat (the River of Life). They will be revived like the seedlings that sprout in the silt carried by a flood. And they will come forth like pearls; around their necks shall be straps of gold. The dwellers of Paradise will recognize them by these straps as those whom Allah had released from the Fire and made to enter Paradise without having done any good deed. Then Allah will say to them: Enter into Paradise, and whatever you have seen is yours. So they will say: O our Rabb! You have given us what none was given in the world! He will reply: For you I have something better than this. They will say: O our Rabb! What could be better than this? He will then reply: My Pleasure, and now I will never be angry with you. (Muslim)  
 
 
 
previous   Next