Muntakhab Hadith

 
 
SIFAT
Kalimah Tayyibah  
SECTION
Belief in the Hereafter  
Type
Hadith  
SERIAL NUMBER
144  
الحديث فى العربى
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنَ عَمْرٍو رَضِىَ اللهُ عَنْهُ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " يَخْرُجُ الدَّجَّالُ فِي أُمَّتِي فَيَمْكُثُ أَرْبَعِينَ - لَا أَدْرِي: أَرْبَعِينَ يَوْمًا، أَوْ أَرْبَعِينَ شَهْرًا، أَوْ أَرْبَعِينَ عَامًا فَيَبْعَثُ اللهُ عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ كَأَنَّهُ عُرْوَةُ بْنُ مَسْعُودٍ، فَيَطْلُبُهُ فَيُهْلِكُهُ، ثُمَّ يَمْكُثُ النَّاسُ سَبْعَ سِنِينَ، لَيْسَ بَيْنَ اثْنَيْنِ عَدَاوَةٌ، ثُمَّ يُرْسِلُ اللهُ رِيحًا بَارِدَةً مِنْ قِبَلِ الشَّأْمِ، فَلَا يَبْقَى عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ أَحَدٌ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ مِنْ خَيْرٍ أَوْ إِيمَانٍ إِلَّا قَبَضَتْهُ، حَتَّى لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ دَخَلَ فِي كَبِدِ جَبَلٍ لَدَخَلَتْهُ عَلَيْهِ، حَتَّى تَقْبِضَهُ " قَالَ: سَمِعْتُهَا مِنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: " فَيَبْقَى شِرَارُ النَّاسِ فِي خِفَّةِ الطَّيْرِ وَأَحْلَامِ السِّبَاعِ، لَا يَعْرِفُونَ مَعْرُوفًا وَلَا يُنْكِرُونَ مُنْكَرًا، فَيَتَمَثَّلُ لَهُمُ الشَّيْطَانُ، فَيَقُولُ: أَلَا تَسْتَجِيبُونَ؟ فَيَقُولُونَ: فَمَا تَأْمُرُنَا؟ فَيَأْمُرُهُمْ بِعِبَادَةِ الْأَوْثَانِ، وَهُمْ فِي ذَلِكَ دَارٌّ رِزْقُهُمْ، حَسَنٌ عَيْشُهُمْ، ثُمَّ يُنْفَخُ فِي الصُّورِ، فَلَا يَسْمَعُهُ أَحَدٌ إِلَّا أَصْغَى لِيتًا وَرَفَعَ لِيتًا، قَالَ: وَأَوَّلُ مَنْ يَسْمَعُهُ رَجُلٌ يَلُوطُ حَوْضَ إِبِلِهِ، قَالَ: فَيَصْعَقُ، وَيَصْعَقُ النَّاسُ، ثُمَّ يُرْسِلُ اللهُ - أَوْ قَالَ يُنْزِلُ اللهُ - مَطَرًا كَأَنَّهُ الطَّلُّ أَوِ الظِّلُّ - نُعْمَانُ الشَّاكُّ - فَتَنْبُتُ مِنْهُ أَجْسَادُ النَّاسِ، ثُمَّ يُنْفَخُ فِيهِ أُخْرَى، فَإِذَا هُمْ قِيَامٌ يَنْظُرُونَ، ثُمَّ يُقَالُ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ هَلُمَّ إِلَى رَبِّكُمْ، وَقِفُوهُمْ إِنَّهُمْ مَسْئُولُونَ، قَالَ: ثُمَّ يُقَالُ: أَخْرِجُوا بَعْثَ النَّارِ، فَيُقَالُ: مِنْ كَمْ؟ فَيُقَالُ: مِنْ كُلِّ أَلْفٍ تِسْعَمِائَةٍ وَتِسْعَةً وَتِسْعِينَ، قَالَ فَذَاكَ يَوْمَ يَجْعَلُ الْوِلْدَانَ شِيبًا، وَذَلِكَ يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ (رواه مسلم وَفِىْ رِوَايَةٍ فَشَقَّ ذَلِكَ عَلَى النَّاسِ حَتَّى تَغَيَّرَتْ وُجُوهُهُمْ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مِنْ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ تِسْعَ مِائَةٍ وَتِسْعَةً وَتِسْعِينَ، وَمِنْكُمْ وَاحِدٌ (رواه البخارى  
হাদিস বাংলা
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইাহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করিয়াছেন, (কেয়ামতের পূর্বে) দাজ্জাল বাহির হইবে । এবং সে চল্লিশ পর্যন্ত অবস্থান করিবে । এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিঃ) বলেন, আমি জানি না যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চল্লিশ বলার উদ্দেশ্য চল্লিশ দিন চল্লিশ মাস, অথবা চল্লিশ বছর ছিল । অতঃপর আল্লাহ তায়ালা (হযরত) ঈসা ইবনে মারইয়াম (আঃ) কে (দুনিয়াতে) পাঠাইবেন । দেখিতে তিনি যেন ওরওয়া ইবনে মাসউদ । অর্থাৎ তাহার অবয়ব ও আকৃতি হযরত ওরওয়া ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) এর মত হইবে । তিনি দাজ্জালকে তালাশ করিবেন । (তাহাকে ধাওয়া করিবেন এবং ধরিয়া) শেষ করিয়া ফেলিবেন । অতঃপর সাত বৎসর পর্যন্ত মানুষ এমনভাবে বসবাস করিবে যে, দুইজন মানুষের মাঝে (ও) পরস্পর শত্রুতা থাকিবে না । অতঃপর আল্লাহ তায়ালা সিরিয়ার দিক হইতে এক (বিশেষ ধরনের) ঠাণ্ডা বাতাস প্রবাহিত করিবেন যাহার প্রভাবে জমিনের উপর এমন কোন ব্যক্তি আর অবশিষ্ট থাকিবে না । যাহার অন্তরে সামান্যতম ঈমানও রহিয়াছে । (মোটকথা এই বাতাসের প্রভাবে সকল ঈমানদার ব্যক্তি শেষ হইয়া যাইবে ।) এমনকি যদি তোমাদের মধ্য হইতে কোন ব্যক্তি কোন পাহাড়ের ভিতর (ও) চলিয়া যায় তবে এই বাতাস সেইখানে পৌঁছিয়া তাহাকে খতম করিয়া দিবে । রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করিলেন ইহার পর শুধু মন্দ লোকেরাই দুনিয়াতে থাকিয়া যাইবে । (তাহাদের অন্তর ঈমান হইতে একেবারেই খালি হইবে) তাহাদের মধ্যে পাখির মত ক্ষিপ্রতা হইবে । অর্থাৎ যেভাবে পাখিরা উড়িবার সময় দ্রুতগতিসম্পন্ন হয় এমনিভাবে এই সকল লোকেরা নিজেদের অন্যায় খাহেশ পূরণ করার ব্যাপারে ক্ষিপ্রতা দেখাইবে । আর (অন্যদের উপর জুলুম ও শক্তি প্রয়োগ করার ব্যাপারে) হিংস্র পশুর ন্যায় স্বভাব হইবে ন্যায় কাজকে ন্যায় মনে করিবে না, মন্দ কাজকে মন্দ মনে করিবে না । শযতান একটি আকৃতি রধারণ করিয়া তাহাদের সম্মুখে আসিবে এবং তাহাদেরকে বলিবে, তোমরা কি আমার হুকুম মানিবে না? তাহারা বলিবে, তুমি আমাদেরকে কি হুকুম দাও? অর্থাৎ তুমি যাহা বলিবে আমরা উহা করিব । তখন শয়তান তাহাদেরকে মূর্তিপূজার হুকুম করিবে । (তাহারা তাহার হুকুম পালন করিবে) ঐ সময় তাহাদের উপর রিযিকের প্রাচুর্য হইবে । আর তাহাদের জিন্দেগী (বাহ্যিকভাবে) বড় সুন্দর (আরাম আয়েশের) হইবে । তারপর শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হইবে । যে কেহ ঐ শিঙ্গার আওয়াজ শুনিবে (সেই আওয়াজের ভয়াবহতা এবং ভয়ের কারণে বেহুঁশ হইয়া যাইবে । আর উহার কারণে তাহার মাথা শরীরের উপর সোজা রাখিতে পারিবে না । বরং) তাহার গর্দান এদিক সেদিক কাত হইয়া যাইবে । সর্বপ্রথম যে ব্যাক্তি শিঙ্গার আওয়াজ শুনিতে পাইবে (এবং যাহার উপর সর্বপ্রথম উহার প্রভাব পড়িবে) সে এক ব্যক্তি হইবে যে তাহার উটের পানি পান করানোর হাউজ মাটি দ্বারা মেরামত করিতে থাকিবে, সে বেহুঁশ এবং প্রাণহীন হইয়া পড়িয়া যাইবে । অর্থাৎ মরিয়া যাইবে । আর অন্যান্য সকল লোকেরাও মরিয়া পড়িয়া যাইবে । অতঃপর আল্লাহ তায়ালা (হালকা) শিশিরের ন্যায় বৃষ্টি বর্ষণ করিবেন । উহার কারণে মানুষের শরীর প্রাণের সঞ্চার হইবে । অতঃপর দ্বিতীয় বার শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হইবে । তখন সঙ্গে সঙ্গে সবাই দাঁড়াইয়া যাইবে । (এবং চারিদিকে) দেখিতে থাকিবে । অতঃপর বলা হইবে, হে লোকসকল, তোমাদের রবের দিকে চল । (এবং ফেরেশতাদের প্রতি হুকুম হইবে যে,) তাহাদেরকে (হিসাবের ময়দানে) দাঁড় করাও । (কেননা) তাহাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হইবে । (এবং তাহাদের আমলের হিসাবকিতাব হইবে ।) অতঃপর হুকুম হইবে তাহাদের মধ্য হইতে দোযখীদেরকে বাহির কর । আরজ করা হইবে কতজনের মধ্য হইতে কতজন? হুকুম হইবে প্রতি হাজারের মধ্য হইতে নয়শত নিরানব্বইজন । রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, এই সেই দিন যাহা বাচ্চাদেরকে বুড়া বানাইয়া দিবে । অর্থাৎ সেই দিনের কঠোরতা ও দীর্ঘতা বাচ্চদেরকে বুড়া করিয়া দেওয়ার মত হইবে । যদিও প্রকৃতপক্ষে বাচ্চা বূড়া না হউক । আর ইহাই হইবে সেইদিন যেইদিন পায়ের গোছা প্রকাশ করা হইবে, অর্থাৎ যেদিন আল্লাহ তায়ালা বিশেষ প্রকারের তাজাল্লী বা জ্যোতি প্রকাশ করিবেন । (মুসলিম) অন্য এক রেওয়ায়াতে এইরূপ আছে যে, যখন সাহাবায়ে কেরাম (রাযিঃ) শুনিলেন হাজারের মধ্য হইতে নয়শত নিরানব্বই জন জাহান্নামে যাইবে তখন তাহারা এই কথা শুনিয়া এত চিন্তাযুক্ত হইলেন যে, তাহাদের চেহারার রং পরিবর্তন হইয়া গেল । তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করিলেন, নয়শত নিরানব্বইজন যাহারা জাহান্নামে যাইবে তাহারা ইয়াজুজ মাজুজ (এবং তাহাদের মত কাফের মুশরিকদের) মধ্য হইতে হইবে । আর এক হাজার হইতে একজন (যে জান্নাতে যাইবে) সে তোমাদের মধ্য হইতে (এবং তোমাদের তরীকা অবলম্বনকারীদের মধ্য হইতে) হইবে । (বোখারী)   
HADITH ENGLISH
Abdullah ibn 'Amr Radiyallahu 'anhuma narrates that Rasulullah Sallallahu 'alaihi wasallam said: Dajjal will appear in my Ummah and remain for forty; I do not know whether for forty days, or forty months, or forty years. Then Allah will send 'Isa ibn Maryam resembling 'Urwah ibn Mas'ud. He will seek out Dajjal and then destroy him. Thereafter, people shall remain for seven years without enmity even between two persons. Then Allah will send a cool breeze from the direction of Syria; whereupon none shall remain upon the face of the earth whose heart has the tiniest particle of Iman, except that his life shall be seized by this breeze.. Even if one of you were to enter the innermost recess of a mountain, it (the breeze) would enter even there and seize him. Thereafter, only the most wicked people shall remain who are as unstable as birds (easily startled) with a tendency to wickedness with the intelligence of beasts of prey (who have little intelligence and show violence and anger), neither knowing right nor objecting to evil. Then Shaitan will appear to them and say: Will you not comply to my command? They will say: What do you command us? He will then order them to worship idols (and they will obey him). Abundant sustenance will be granted to them and apparently, they will enjoy a good and luxurious life.Then the Trumpet will be blown; and everyone who hears it will bend one side of his neck, and raise the other, listening attentively. The first to hear it will be a man plastering a water tank for his camels. Then he will collapse senseless, and die and so will all the people with him. Then Allah will send down rain resembling dew, causing the bodies of the people to sprout like plants from the earth. Thereafter the Trumpet will be blown a second time, and the people will rise looking around. Then it will be said: O people! Hasten towards your Rabb! The angels will be told to restrain them for they are to be questioned. Command then will be given to bring forth those who are to go to Hell and when they asked what proportion is to be brought forth, they will be told it is nine hundred and ninety nine out of every thousand. That will be a day which will make children grey haired; and that is the day when the Shin will be bared (Muslim) In another narration it is stated: Hearing that nine-hundred-and- ninety-nine out of a thousand will be doomed to the Fire (of Hell), the Sahabah were deeply grieved and it showed on their faces. Then Rasulullah Sallallahu 'alaihi wasallam said: Nine-hundred-and- ninety-nine will be from Yajuj Majuj (Gog and Magog) and one from you. (Bukhari)  
 
 
 
previous   Next